শিরোনাম
  দৈনিক জৈন্তা বার্তা’র ছাতক প্রতিনিধির দায়িত্ব পেলেন মোশাররফ হোসেন       গণগ্রন্থাগারে সরকারি অনুদান বাড়ানোর দাবি       ফারমিছ আক্তারকে ‘নির্ভীক নারী উদ্যোক্তা সম্মাননা’ প্রদান       সাংবাদিকতায় সফল নারী সুবর্ণা হামিদ       আন্তর্জাতিক নারী দিবস আজ       নারী দিবসের সংগ্রামী ইতিহাস- শেখ একেএম জাকারিয়া       ন্যাশনাল সার্ভিস কর্মসূচির আওতায় তাহিরপুরে তিন মাস মেয়াদি প্রশিক্ষণ কোর্সের উদ্বোধন       তাহিরপুর উপজেলা ডিজিটাল সেন্টারে ব্যাংক এশিয়া এজেন্ট ব্যাংকিং শাখার উদ্বোধন       বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ- শেখ একেএম জাকারিয়া       ব্যাংক এশিয়া লি. পৌর ডিজিটাল সেন্টার এজেন্ট ব্যাংকিং শাখার উদ্বোধন    


ডেস্ক নিউজঃ

সম্প্রতি একদল বিজ্ঞানী দাবি করছেন, অতিবেগুনি রশ্মির সাহায্যে করোনাভাইরাসের জীবাণু সমূলে ধ্বংস করা সম্ভব।

আমেরিকান জার্নাল অব ইনফেকশন কন্ট্রোলে প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনে হিরোশিমা বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল বিজ্ঞানীর এই গবেষণাপত্রটি প্রকাশিত হয়েছে। খবর জি নিউজের।

বিজ্ঞানীদের দাবি, নির্দিষ্ট তরঙ্গদৈর্ঘ্যের অতিবেগুনি রশ্মির সাহায্যে ভাইরাসের জীবাণু সমূলে ধ্বংস করা গেলেও তা মানব শরীরের ক্ষেত্রে ক্ষতিকর নয়।


হিরোশিমা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞানীরা আরও বলেন, ২২২ ন্যানোমিটার তরঙ্গদৈর্ঘ্যের অতিবেগুনি রশ্মির সাহায্যে করোনার জীবাণু সমূলে ধ্বংস করা সম্ভব।

বিজ্ঞানীদের দাবি, ২২২ ন্যানোমিটার তরঙ্গদৈর্ঘ্যের অতিবেগুনি রশ্মির প্রয়োগে ৯৯.৭ শতাংশ করোনার জীবাণুকেই ধ্বংস করা সম্ভব।

হিরোশিমা বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক হিরোকি কিতাগাওয়া জানান, ভিট্রো পরীক্ষায় দেখা গিয়েছে ঠিক কী ভাবে নির্দিষ্ট তরঙ্গদৈর্ঘ্যের অতিবেগুনি রশ্মির বিকিরণে সার্স-কোভ-২ ভাইরাসকে নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে।

এই পরীক্ষাটি করা হয়েছে ইউভিসি ল্যাম্পের সাহায্যে। একটি প্লেটে ভাইরাস মিশ্রিত দ্রবণের উপর অতিবেগুনি রশ্মি প্রয়োগ করে দেখেন গবেষকরা। বিজ্ঞানীরা জানান, ২২২ ন্যানোমিটার তরঙ্গদৈর্ঘ্যের অতিবেগুনি রশ্মি ৩০ সেকেন্ড ধরে প্রয়োগ করলে ৯৯.৭ শতাংশ করোনা জীবাণুকেই নিষ্ক্রিয় করা যাচ্ছে।

জাপানের বিজ্ঞানীদের দাবি, ২২২ ন্যানোমিটার তরঙ্গদৈর্ঘ্যের অতিবেগুনি রশ্মি মানুষের চোখ অথবা ত্বকের কোনও ক্ষতি করে না।

মানব দেহর অন্য জীবিত কোষের জন্যেও এই নির্দিষ্ট তরঙ্গদৈর্ঘ্যের অতিবেগুনি রশ্মি ক্ষতিকারক নয়। তবে গবেষকদের মতে, এই তরঙ্গদৈর্ঘ্যের অতিবেগুনি রশ্মির কার্যকারিতা ও সুরক্ষার বিষয়টি নিয়ে আরও গবেষণা প্রয়োজন।

শান্তিবার্তা ডটকম/১৯ সেপ্টেম্বর ২০২০