শিরোনাম


ডেস্ক নিউজঃ

নারায়ণগঞ্জ শহরের পশ্চিম তল্লা এলাকার বায়তুস সালাত জামে মসজিদে বিস্ফোরণের ঘটনায় দগ্ধ ও নিহত ব্যক্তিদের ৩৭ পরিবারকে আপাতত পাঁচ লাখ টাকা করে দিতে তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দিয়েছেন হাই কোর্ট।

সাতদিনের মধ্যে এ টাকা পরিশোধ করতে হবে। নারায়ণগঞ্জের জেলা প্রশাসক ৩৭টি পরিবারের কাছে এ টাকা হস্তান্তর করবেন। বিচারপতি জেবিএম হাসান ও বিচারপতি মো. খায়রুল আলমের বেঞ্চ বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) এ আদেশ দেন।

আদালতে রিট আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন এডভোকেট তৈমুর আলম খন্দকার। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল নূর উস সাদিক।

গত সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) রিট আবেদনটি দায়ের করেন নারায়ণগঞ্জের স্থানীয় বাসিন্দা সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার মার-ই-য়াম খন্দকার। মঙ্গলবার এ রিটের ওপর শুনানি শেষে বুধবার আদেশের জন্য দিন ধার্য করা হয়।

দগ্ধ ও নিহতদের পরিবারকে ৫০ লাখ টাকা করে ক্ষতিপূরণ দিতে কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারির আরজি জানানো হয়েছে। একইসঙ্গে আবেদনে ওই ঘটনায় কার কী দায়, কার অবহেলা বা কার ভুল তা নিরূপণের নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে।

রিট আবেদনে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব, স্বরাষ্ট্র সচিব, নারায়ণগঞ্জের মেয়র, তিতাস গ্যাসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক, নারায়ণগঞ্জের জেলা প্রশাসক ও এসপিসহ সাতজনকে বিবাদী করা হয়েছে।

৪ সেপ্টেম্বর রাত পৌনে ৯টার দিকে নারায়ণগঞ্জ শহরের পশ্চিম তল্লা এলাকার বায়তুস সালাত জামে মসজিদে গ্যাসের লিকেজ থেকে বিস্ফোরণে অগ্নিদগ্ধ হন ৩৭ জন মুসল্লি। দগ্ধদের শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসার জন্য ভর্তি করা হয়।

দগ্ধ ৩৭ জনের মধ্যে এখন পর্যন্ত ২৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। ৮ সেপ্টেম্বর ১২ শতাংশ দগ্ধ মামুন নামে এক রোগীকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে। চিকিৎসাধীন নয়জনের মধ্যে বেশ কয়েকজন সুস্থ হবেন বলে আশা প্রকাশ করেছেন চিকিৎসকরা।

শান্তিবার্তা ডটকম/৯ সেপ্টেস্বর ২০২০