শিরোনাম
  সাইফুর রহমানের ১১তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ       পরিকল্পনামন্ত্রী শনিবার জগন্নাথপুরে আসছেন না       নারায়ণগঞ্জে মসজিদে এসি বিস্ফোরণ, দগ্ধ বেশিরভাগই আশঙ্কাজনক       সিলেট বিভাগে দুই ল্যাবে আরও ৯৫ জনের করোনা শনাক্ত       শনিবার জগন্নাথপুরে আসছেন পরিকল্পনামন্ত্রী       ধর্মপাশায় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে স্কুলছাত্রের মৃত্যু       মধ্যনগর উপজেলা বাস্তবায়ন কমিটি ঘোষণা       দেশে করোনায় প্রাণ গেল আরও ২৯ জনের, নতুন শনাক্ত ১৯২৯       নিবন্ধনের অনুমতি পেল সিলেটের ৭ দৈনিক অনলাইনসহ ৯২টি       সুনামগঞ্জের সীমান্তে মহান মুক্তিযুদ্ধে শহীদ বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সমাধিস্থলের উন্নয়ন কাজের উদ্বোধন    


ডেস্ক নিউজঃ

সাবেক অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী এম. সাইফুর রহমানের ১১তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ শনিবার। ২০০৯ সালের ৫ সেপ্টেম্বর এক মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হন তিনি। 

সাইফুর রহমানের মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষ্যে সিলেট জেলা বিএনপি আয়োজন করেছে দোয়া মাহফিলের। শনিবার বাদ আসর দরগাহে হযরত শাহজালাল (র.) মাজার মসজিদ প্রাঙ্গনে এই দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে।  

মরহুম এম. সাইফুর রহমান কর্মময় জীবনে তার অনন্য গুণে মানুষের হৃদয়ে ঠাঁই করে নিয়েছিলেন। দেশ দুনিয়ায় নাম কুড়ানো মৌলভীবাজারের বাহারমর্দনের সেই ছেলেটি দেশের অন্যতম অর্থমন্ত্রী যিনি একনাগাড়ে ১২ বার সংসদে বাজেট পেশ করেছেন। কর্মে তার অনন্য গুণ তিনি উন্নয়নের যে স্বপ্ন দেখতেন তা বাস্তবায়নও করতেন। এটাই তার অবিচল আস্থা বিশ্বাস আর কাজের প্রতি নিখাঁদ আন্তরিকতা ও কর্তব্যকর্মে দ্বায়িত্বশীলতার নজির। নিজ জন্মস্থান মৌলভীবাজারসহ পুরো সিলেট বিভাগেই রয়েছে তার চোখ ধাঁধানো উন্নয়নের ছোঁয়া।

সংক্ষিপ্ত জীবনী: জন্ম ১৯৩২ খ্রিষ্টাব্দের ৬ই অক্টোবর, মৌলভীবাজারের বাহারমর্দনে। গ্রামের মক্তব ও পাঠশালা শেষ করে তিনি ১৯৪০ সালে জগৎসী গোপালকৃষ্ণ উচ্চ ইংরেজি বিদ্যালয়ে ভর্তি হন। এরপর ১৯৪৯ সালে কৃতিত্বের সঙ্গে মেট্রিকুলেশনে উত্তীর্ণ হন। সিলেটের এমসি কলেজ থেকে আইকম পাস করে ১৯৫১ সালে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হন। ১৯৫৩ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে গ্রাজুয়েশন ডিগ্রি অর্জন করেন। এরপর তিনি ব্যারিস্টারি পড়ার জন্য লন্ডনে চলে যান। সেখানে পৌঁছার পর মত পাল্টে যায় তাঁর, ব্যারিস্টারির পরিবর্তে পড়েন চার্টার্ড অ্যাকাউন্টেন্সি। ১৯৫৩-৫৮ সময়কালে পড়াশোনার পর ১৯৫৯ সালে ইনস্টিটিউট অব চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্টস ইংল্যান্ড অ্যান্ড ওয়েলস ফেলোশিপ অর্জন করেন। ১৯৬০ সালের ১৫ই জুলাই বেগম দুররে সামাদ রহমানের সঙ্গে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। তিনি ৩ পুত্র ও এক কন্যা সন্তানের জনক। ২০০৩ সালে তার স্ত্রী ইন্তেকাল করেন। ২০০৯ সালের ৫ সেপ্টেম্বর তিনি এক মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হন। তার শেষ ইচ্ছানুযায়ী বাহারমর্দনে তাকে চিরনিদ্রায় শায়িত করা হয়।

শান্তিবার্তা ডটকম/২০২০