শিরোনাম
  তাহিরপুরে বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে প্রেমিকার অনশন       সিলেট জেলা মহিলা আওয়ামী লীগের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি       সিলেট বিভাগে আরও ১৩৭ জনের করোনা শনাক্ত       দক্ষিণ সুনামগঞ্জ উপজেলা যুবদলের মতবিনিময় সভা       দক্ষিণ সুনামগঞ্জের ইউএনও জেবুন নাহার শাম্মী করোনায় আক্রান্ত       সুনামগঞ্জে স্থানীয় টেকসই ভূমি ব্যবস্থাপনা প্রযুক্তি নিয়ে কৃষক প্রশিক্ষণ       দিরাইয়ে পানিতে ডুবে দুই বোনের মর্মান্তিক মৃত্যু       দেশে একদিনে করোনায় আরও ৪৫ জনের মৃত্যু, শনাক্ত ২৫৪৫       সি আর দত্তের মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর শোক       হাউস বিল্ডিং ফাইন্যান্স কর্পোরেশনের মূলধন বাড়ছে- প্রধানমন্ত্রী    


তাহিরপুর প্রতিনিধিঃ

সুনাসগঞ্জের তাহিরপুরে বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে অনশন শুরু করেছে বাদাঘাট সরকারি কলেজের দ্বাদশ শ্রেণি পড়ুয়া এক ছাত্রী।

মঙ্গলবার রাতে বাদাঘাট (উ.) ইউনিয়নের মল্লিকপুর গ্রামের আ. হকের ছেলে তায়েফ (২৫) আহমেদের বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।

এ ঘটনায় মঙ্গলবার রাতে প্রেমিকার বাবা ননাই গ্রামের ফজলু মিয়া বাদী হয়ে প্রেমিক তায়েফ, তার বাবা আ. হক ও চাচা যুবলীগ নেতা শাহ আলমকে অভিযুক্ত করে তাহিরপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে। অভিযোগ প্রাপ্তির সত্যতা নিশ্চিত করেছেন তাহিরপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ আতিকুর রহমান।

প্রেমিকার পারিবারিক ও থানায় দায়েরকৃত লিখিত অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, প্রেমিক তায়েফ ও প্রেমিকার বাড়ি পার্শ্ববর্তী হওয়ায় প্রেমিকার বাড়ির সামনের রাস্তা দিয়ে প্রেমিক তায়েফ স্থানীয় বাদাঘাট বাজারে যাতায়াত করতো। সেই সুবাদে প্রেমিকার সাথে তায়েফের প্রায়ই দেখা হতো এক পর্যায়ে তাদের মধ্যে জানাশোনা ও পরিচয় হয়। পরবর্তী সময়ে পরিচয়ের সূত্র ধরে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে এবং তাদের এ সম্পর্ক বিগত ২-৩ বছর ধরে চলে আসছিল।

সোমবার সকালে প্রেমিক তায়েফের অন্যত্র বিয়ের কথা চলছে এমন খবর পেয়ে প্রেমিকা ঐদিন দুপুরে বাদাঘাট বাজারের হাজী মার্কেটের একটি কসমেটিকসের দোকানে তায়েফের সাথে দেখা করে তাদের নিজেদের মধ্যে বিয়ের বিষয়ে প্রায় ঘন্টাব্যাপী কথা কাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে তায়েফ তাকে বিয়ে করতে অস্বীকৃতি জানায়। পরে সন্ধ্যায় প্রেমিকা বিয়ের দাবিতে তায়েফের বাড়িতে অবস্থান করে অনশন শুরু করে।

বিষয়টি গ্রামবাসীর মধ্যে জানাজানি হলে রাত ১১টার দিকে বাদাঘাট ইউনিয়ন চেয়ারম্যান আফতাব উদ্দিন ও স্থানীয় ইউপি সদস্য আলী আহমদ, শের আলীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গকে নিয়ে বিষয়টি নিয়ে উভয়পক্ষের লোকজনদের সাথে আলোচনায় বসেন। আলোচনা শেষে অনশনরত প্রেমিকাকে মল্লিকপুর গ্রামের আছদ্দর মল্লিকের হেফাজতে রাখা হয় এবং সকালে থানার ওসি ও ইউএনও’র উপস্থিতিতে বিষয়টি সমাধান করা হবে বলে চেয়ারম্যান ও অন্যন্যরা চলে আসেন।

প্রেমিকার বাবা ননাই গ্রামের ফজলু মিয়া অভিযোগ করে বলেন, তায়েফের বাবা-চাচা কৌশলে সময় নিয়ে তার ছেলেকে ভোর বেলা বাড়ি থেকে পালিয়ে যেতে সাহায্য করে। এখন পর্যন্ত আমার মেয়ে আছদ্দর মল্লিকের হেফাজতেই রয়েছে। বিষয়টি নিয়ে তারা তালবাহানা শুরু করেছে। এদিকে প্রেমিক তায়েফের সাথে তার বিয়ে না হলে প্রেমিকা বিষপানে আত্মহত্যা করার হুমকি দিয়েছে।

শান্তিবার্তা ডটকম/২৬ আগস্ট ২০২০