শিরোনাম
  টিকটক ভিডিও করতে কিশোরকে মদ পান করানোর অভিযোগে আটক ৮       শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলা এবং পরীক্ষার বিষয়ে সিদ্ধান্ত আসতে পারে মঙ্গলবার       রাজস্ব খাতে স্থানান্তর চান প্রাথমিকের দফতরিরা       জগন্নাথপুরের ইয়াসির আরাফাত শ্রেষ্ঠ এসিল্যান্ড নির্বাচিত       ফায়ার সার্ভিসের গাফিলতির কারণে পুড়ে গেলো ১৬ দোকান       ছাতকে প্রতিপক্ষের হামলায় যুবক নিহত, আটক দুই       দেশে একদিনে আরও ৪২ জনের মৃত্যু, শনাক্ত ২৪৮৫       সুজন তাহিরপুর উপজেলা কমিটি গঠন, সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা হারুন, সাধারণ সম্পাদক বিপ্লব       জীবন একটা যুদ্ধ ক্ষেত্র- মাসুদ       পিএসজিকে হারিয়ে এবার ইউরোপ সেরা বায়ার্ন মিউনিখ    


তাহিরপুর প্রতিনিধিঃ

সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলায় বাদাঘাট বাজারের টিকটক খ্যাত শরিফকে মদ পান করিয়ে ভিডিও করে, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার জন্য ৮ জনকে আটক করেছে তাহিরপুর থানা পুলিশ। আটক সবাই জেলার বিভিন্ন উপজেলার স্কুল ও কলেজে অধ্যয়নরত।

রোববার (২৩ আগস্ট) রাতে আটককৃতদের এবং ভিকটিম শরিফকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্টতা পায় পুলিশ। পরে শরিফের বড়ভাই শামীম বাদী হয়ে আটক ৮ জনসহ ১০জনের বিরুদ্ধে তাহিরপুর থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ও আইসিটি আইনে একটি মামলা দায়ের করেন।
সোমবার (২৪ আগস্ট) দুপুরে আটককৃতদের আদালতে পাঠানো হয়েছে।

জানা যায়, চলতি বছরের জুলাই মাসের শেষের দিকে বাদাঘাট বাজারের সততা স্টোরের মোজাম্মেল হকের ফেসবুক আইডি থেকে অভিভাবকদের সচেতন করার জন্য ও প্রশাসন, সাংবাদিকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে কিশোর শরিফের ছবি ও একটি ভিডিও আপলোড করা হয়। ওই ভিডিওতে শরিফ জানায় বাদাঘাটের কয়েক যুবক তাকে জোর পূর্বক মদ খাইয়েছে। এছাড়াও বিভিন্ন রকমের টিকটক ভিডিও তৈরি করে তা ইউটিউবসহ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচার করেছে।

বিষয়টি সুনামগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপার মো. মিজানুর রহমানের নজরে আসলে, তার দিকনির্দেশনায় তাহিরপুর থানার অফিসার ইনচার্জ আতিকুর রহমান ও বাদাঘাট পুলিশ ক্যাম্প ইনচার্জ এসআই মাহমুদুল হাসান বিষয়টি গোপনে তদন্ত শুরু করেন।

রোববার দুপুরে শরিফের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী ভিডিও ভাইরালের ঘটনার সাথে জড়িত থাকায় ও এই ভিডিও ফেসবুকে আপলোড করায় উত্তর বড়দল ইউনিয়নের মোজাম্মেল হক (২২), মদ খাওয়ানো ও টিকটক তৈরির সাথে জড়িত থাকায় উত্তর ইউনিয়নের কামড়াবন্দ গ্রামের আলম শেখ (২৩), তারেক (২২), দীপু (২২), রনি (১৭), বাদাঘাট গ্রামের আব্দুল্লাহ (১৬), দক্ষিণ বড়দল ইউনিয়নের পাগলপুর গ্রামের মনির মিয়া (১৯) ও সাগরকে (২১) জড়িত সন্দেহে আটক করে থানায় নিয়ে যায় পুলিশ। পরে তাদের সংশ্লিষ্টতা পাওয়ায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়।

তাহিরপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ আতিকুর রহমান জানিয়েছেন, শরিফের বড় ভাই শামীম বাদী হয়ে মোট ১০জনের বিরুদ্ধে তাহিরপুর থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন। আটককৃত ৮ জনকে সোমবার দুপুরে আদালতে পাঠানো হয়েছে। আর পলাতক দুই আসামিকে গ্রেপ্তারে পুলিশি অভিযান অব্যাহত আছে।

শান্তিবার্তা ডটকম/২৪ আগস্ট ২০২০