শিরোনাম
  দক্ষিণ সুনামগঞ্জের দরগাপাশায় বন্যার্তদের মাঝে ‘যমযম বাংলাদেশের’ ত্রাণ বিতরণ       সুনামগঞ্জে জেলা পরিষদের ত্রাণ বিতরণ       সিলেটের দুই ল্যাবে আরও ৭৬ জনের করোনা শনাক্ত       বানভাসীদের মাঝে “তারুণ্যের স্বপ্ন” এস.এস.সি-২০০৯ ও এইচ.এস.সি-২০১১ এর পক্ষ থেকে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ       ফেসবুকে অতিরিক্ত পোস্ট দেওয়া ‘মানসিক অসুখের’ লক্ষণ!       জগন্নাথপুর খাদ্যগুদাম পরিদর্শনে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আব্দুল আহাদ       দিরাইয়ে জেলা প্রশাসনের ত্রাণ বিতরণ       সুনামগঞ্জ জেলা পরিষদের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন       দহন- তামান্না আক্তার তমন       শিমুলবাঁক ইউনিয়ন সমাজকল্যাণ পরিষদের কমিটি গঠন    


দক্ষিণ সুনামগঞ্জ প্রতিনিধিঃ

করোনা (কোভিড-১৯) এক মহা আতংক বাংলাদেশ তথা সারা বিশ্বের মানুষের জন্য। বিশেষ করে বাংলাদেশের গ্রামীণ জনগোষ্টীর জন্য। সাধারণ মানুষজন কাজকর্মহীন। প্রায় ৫ মাস যাবত। এতে করে তাদের জীবনযুদ্ধে ঠিকে থাকা দায় হয়ে পরেছে।

একদিকে করোনা অন্যদিকে বন্যার প্রকোপ তা যেন মরার উপর খারার গাঁ। বাংলাদেশে এক মৌসমে ৩টি বন্যা। বন্যার কারনে মানুষের ঘর-বাড়ি প্লাবিত হয়ে পরেছে। মানুষজন আশ্রয় নিচ্ছে বিভিন্ন আশ্রয়কেন্দ্রে।

এই ভোক্তভোগী সাধারণ মানুষের পাশে এসে দাড়িয়েছে যমযম বাংলাদেশ।

আজ (২৪ জুলাই) শুক্রবার সুনামগঞ্জ জেলার দক্ষিন সুনামগঞ্জ উপজেলার দরগাপাশা ইউনিয়নে প্রায় ২৫০ টিরও বেশি পরিবারের মধ্যে যমযম বাংলাদেশ (যমযম চ্যারিটেবল ট্রাস্ট) এর অর্থায়ন, পৃষ্টপোষকতা ও সহায়তা ক্লাবের সহযোগিতায় ত্রান (খাদ্যসামগ্রী) বিতরণ পরিচালিত হয়।

এ সময় যমযম বাংলাদেশের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন আব্দুল হান্নান, ফাহিম মিয়া , আফজাল আহমদ। তাদেরকে সহযোগিতা করেন সহায়তা ক্লাবের সেচ্ছাসেবী সদস্য রাহাতুজ্জামান চৌধুরী, সৈয়দ আসাদ, আসলাম পারভেজ অপু ও মিশু চৌধুরী।

গ্রামবাসীর পক্ষে সহযোগিতা করেন হুছবান আহমদ চৌধুরী (বাহার), তানভীর আহমদ চৌধুরী ও সুমন চৌধরী।

যমযম বাংলাদেশের চেয়ারম্যান মহবুব সোবহানী চৌধুরী বলেন “আমাদের অর্গানাইজেশনের লক্ষ হচ্ছে অসহায় মানুষদের সেবা করা তারই ধারাবাহিকতায় আমরা দরগাপাশা গ্রামে করোনা মহামারীর কারনে কাজকর্মহীন ও বন্যার্ত দুস্থঃ মানুষের দুখ-দুর্দশা কিছুটা লাগবের জন্য আমরা তাদের জন্য খাদ্য সামগ্রী নিয়ে পাশে এসে দারিয়েছি। ইনশাআল্লাহ আমরা ভবিষ্যতেও সব সময় সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিব”।

সহায়তা ক্লাবের সেচ্ছাসেবক রাহাত ও আসাদ বলেন বর্তমানের এই দু:সময়ে যমযম বাংলাদেশ তাদের অর্থায়ন ও পৃষ্টপোষকতা নিয়ে এলাকার দুস্থদের পাশে দাড়িয়েছে এতে আমরা তাদের সহযোগিতা করতে পেরে আনন্দিত। আমরা আশা করব ভবিষ্যতেও তারা তাদের এই কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে এবং আমরা তাদের সব ধরনের সহযোগিতা করব ইনশাআল্লাহ।

খাদ্যসামগ্রীর মধ্যে ছিল ২০ কেজী চাল, ২কেজী ডাল, ২ লিটার তেল, ২ কেজী পিয়াজ, লবন, সাবান ও অন্যান্য নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি।