শিরোনাম
  করোনাকালীন আত্মহত্যা ও আমাদের মনস্তত্ত্ব- তুহীন আফসারী       শুধু ফুসফুস নয়, করোনাভাইরাস আক্রান্ত করে মস্তিষ্ক ও স্নায়ুতন্ত্রও       হুমায়ূন রশীদ চৌধুরী ছিলেন এক উন্নয়নকামী রাজনীতিবিদ       সুনামগঞ্জে আবারও বিপৎসীমার উপরে সুরমার পানি, বন্যার আশঙ্কা       পরীক্ষিত ও ‍বিশ্বস্ত সহযোদ্ধাকে হারালাম -প্রধানমন্ত্রী       ২৪ ঘন্টায় দেশে করোনায় নতুন আক্রান্ত ২ হাজার ৯৪৯ জন, মৃত্যু ৩৭       গ্রামীণ নারীদের কল্যাণে পরিকল্পনামন্ত্রী নিজের পৈতৃক ভিটা দান করলেন       দুর্নীতিবাজ যেই হোক ব্যবস্থা গ্রহণ অব্যাহত থাকবে- প্রধানমন্ত্রী       শাবির ল্যাবে ৩৮ জনের করোনা শনাক্ত, ২০ জনই সিলেটের       সুনামগঞ্জে ৬ দফা দাবিতে মেডিকেল টেকনোলজিস্টদের কর্মবিরতি পালন    



মৃত্যুর খবর আমার কাছে সবসময়ই অস্বস্তিকর, অনাকাঙ্ক্ষিত ও বেদনাদায়ক। আর তা যদি হয় কোন অপার সম্ভাবনাময় জীবনরে অকালমৃত্য তবে সেই মৃত্যু কিছুতেই মেনে নিতে পারিনা। এমনিতেই সারা পৃথবিীতে মৃত্যুর মহামারি শুরু হয়ছে। প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ যুক্ত হচ্ছে এই মিছিলে। আমরা সবাই লড়াই করছি নিজেদের বাঁচিয়ে রাখার জন্য। এই সময়ে কিছু প্রাণের অভিমানে ঝরে যাওয়া আমাদের লড়াই করা শক্তিকে থামিয়ে দেয়। আমরা বড় র্দূবল হয়ে পড়ি।

কেন এই অভিমান, কেন এই আত্মহনন – এই প্রশ্নের সাথে বোঝাপড়া করতে করতেই আমরা আবার মুখোমুখি হয়ে পড়ি নতুন কোন দু:সংবাদে। সম্প্রতি কয়কেটি মৃত্যু আমাকে ভয়ংকর নাড়িযে দিয়ে গেছে।সেই কারণইে এই লেখার জন্ম।


ঘটনা এক:
কিশোরীটি ছিলো আমাদের সকলের খুব পরিচিত এবং আদর, স্নেহ-ভালবাসার পাত্রী। কিশোরীর মা আমাদের সহর্কমী ও বন্ধু, খুবই আপনজন। বাবার সাথেও আছে আমাদের সখ্যতা। মেয়েটি সেই ছোটবলো থেকেই প্রায়ই তার মায়ের সাথে আমাদের অফিসে আসতো। ঢাকার বিখ্যাত স্কুলে পড়তো। আমাদের সহর্কমী আপা তাকে স্কুল থেকে নিয়ে আসতো বা স্কুলে দিয়ে আসতো। স্কুলের সবুজ চেকের র্শাট পড়ে মেয়েটি প্রায়ই হাসিমুখে এসে দাঁড়াতো আমাদের পাশে। আমাদের সকলের সাথেই তার নানান বিষয়ে নানানরকম ভাব বিনিময় হতো। তার বুদ্ধিদীপ্ত চোখ, নিঃস্পাপ ও পরিমিত হাসি, পরিমিতি ও গোছানো কথার্বাতা, প্রত্যুৎপন্ন প্রকাশ ও সারল্য আমাদের মুগ্ধ করতো। আমরা নিজেরা খুব বলাবলি করতাম, এই মেয়ে একদনি অনকে বড় হব। অনকে বড় কিছু করবে। এরপর সে ভাল রেজাল্ট নিয়ে স্কুল শেষ করলো, কলেজ শেষ করলো। এর মধ্যে আমরা জানলাম, ঢাকা বশ্বিবদ্যিালয়ে খুব ভালো সাবজেক্টে র্ভতি হয়ছে। আমাদের সে কি খুশী। অপার সম্ভাবনাময়ী মেয়েটা ঠিকই বড় কিছু হবে। দুমকরে একদনি সকালে ঘুম থেকে উঠইে জানলাম মেয়েটি আর নেই। অথচ দুদিন আগেও প্লান হলো, আমরা আবার ট্যুরে যাবো। একই হেডফোনে গান শুনতে শুনতে কাটবে আমাদের সময়। কথা রাখলোনা মেয়েটির বাবা- মা, আত্মীয় আর আমাদের ভীষন কাঁদিয়ে চলে গেলো। জীবনরে এই শ্রেষ্ঠ সময়কে অবজ্ঞা করে কি করে চলে যেতে পারলো সে ?

ঘটনা দুই:
র্কমসূত্রে একসময় প্রায়ই নয়িমতি যাতায়াত রংপুর। নানাবধি কারণে রংপুর প্রয়ি একটি শহর। রংপুর শহর, রংপুররে গ্রাম, রংপুররে মানুষ, তাদরে ভাষা ও প্রকৃতি সব কছিুর সাথইে ভালো লাগা আছ। এই শহরইে পরচিয় হয়ছেলি একজন অসাধারণ, মানবকি মানুষরে সাথ। ব্যবসায়ী কন্তিু ভীষণ উদার হৃদয়রে মানুষ। পরবিারওে উদার সাংস্কৃতকি র্চচা ও জীবনধারা ছলি। দারুণ আড্ডাবাজ মানুষটরি সাথে বন্ধুত্ব হতে সময় লাগনে। রংপুরে গলেইে আড্ডা চলতো আমাদরে। এই আড্ডায় তার পুত্ররে সাথে পরচিয় হয়ছেলি। তখন সে শশৈব-কশৈোররে মাঝামাঝ। কি মষ্টিি ছলে! এর মধ্যে সে স্কুল পাশ করে কলজেে র্ভতি হয়ছে। জীবনরে শ্রষ্ঠে সময়। শুনলাম সে আত্মহত্যা করছে। কিভাবে সে এই বাধঁন ছিঁড়তে পারলো?
ঘটনা তনি:
গত কয়কদেনি ধরে সবধরণরে মডিয়িাতে কয়কেটি আত্মহননরে কথা ছড়য়িে বড়োচ্ছ। অধকিাংশই অভনিতো অভনিত্রেী। এরমধ্যে কউে কউে অনকে বখ্যিাত ও অনুপ্ররেণার ছলিনে। এদরে মধ্যে সুশান্ত রাজপুত অন্যতম। ভারতীয় ক্রকিটোর এমএস ধোনীর চরত্রিে অসাধারণ অভনিয় করছেনে এই অভনিতো। অনকেরে স্বপ্নরে নায়ক ছলিনে তনি। কি এক অজানা কারনে নজিকেে শষে করে দলিনে তা আজ একটা রহস্যও বট।ে অনকেইে মনে করছনে করোনাকালীন হতাশা, কাজরে মধ্যে না থাকা, র্অথনতৈকি সংকট সহ বভিন্নি অনশ্চিয়তা এই ঘটনা সমুহরে জন্য দায়ী। কভিাবে এই যশ, নাম ছড়েে এমন করতে পারলনে তনি?
আত্মহনন আমাদরে সমাজে নতুন কোন বষিয় নয়। আত্মহননরে প্রবণতা অনকেরে মধ্যে থাক।ে তবে যে সমাজে মানবকি অনুভূত, স্নহে-ভালবাসা, সামাজকি মথিস্ক্রয়িা, সহযোগতিা এবং প্রকৃতরি সাথে সংর্স্পশ কম সখোনে আত্মহননরে প্রবণতা অনকে বশে। আমরা সবাই জান, করোনা আমাদরে সামাজকি ভাবে বচ্ছিন্নি করে ফলেছে। এই সময়ে আমরা বড্ড একা হয়ে গয়িছেি যার যার চন্তিায়, ভাবনায়। তবে কি কথতি সামাজকি বচ্ছিন্নিতাই আমাদরে কাল হয়ে দাঁড়াচ্ছে – এই প্রশ্ন এখন সামনে এসে দাঁড়াচ্ছ।
আমরা জানি মানুষ যখন নজিইে নজিরে মৃত্যু ঘটায়, তখন একে আত্মহত্যা বা সুইসাইড বল।স্ক্যান্ডনিভেয়িা অঞ্চল, সুইজারল্যান্ড, র্জামান, অস্ট্রয়িা, র্পূব ইউরোপরে দশেগুলো এবং জাপানে আত্মহত্যার হার সবচয়েে বশেি (লাখে পঁচশিরে ওপর)। গত ৫০ বছরে সারা পৃথবিীত, মূলত উন্নয়নশীল দশেগুলোতে আত্মহত্যার হার শতকরা ৬০ শতাংশ বড়েছে। সারা পৃথবিীর যত মানুষ আত্মহত্যার মাধ্যমে মৃত্যুবরণ কর, তার মধ্যে ২.০৬ শতাংশ বাংলাদশে। বাংলাদশেে প্রতবিছর প্রতি লাখে ১২৮.০৮ জন মানুষ আত্মহত্যা কর। প্রতবিছর এই সংখ্যা বাড়ছ। বাংলাদশেে প্রতদিনি ২৮ জন মানুষ আত্মহত্যা কর। করোনাকালীন মহামারতিে এই প্রবণতা ও সংখ্যা বড়েইে চলছে। এই ধরণরে পরসিংখ্যান চাইলইে আমরা দখেে নতিে পার। বিভিন্নি উপায়ে আমাদরে দশেে আত্মহননরে পথ নয়ো হয়। কীটনাশক পান, ইঁদুর মারার বষিপান, ফাঁস, ঘুম বা ব্যথার ওষুধ, হারপকি, স্যাভলন ইত্যাদি বষিাক্ত তরল পান করার মাধ্যমে মানুষ আত্মহত্যা করে থাক। আমাদরে সমাজে অল্পবয়সী ছলেে ময়েদেরে মধ্যে আত্মহত্যার হার বশেি দখো যায়।
কনে এই আত্মহনন?
বভিন্নি কারণে মানুষ আত্নহননরে পথ বছেে নয়ে। তবে যারা মানসকি নানা ধরণরে সমস্যায় ভোগে তাদরে মধ্যে আত্মহত্যার হার বশেি থাক। সাধারণত বষিন্নতা, বাইপোলার মুড ডজির্অডার, সজিোফ্রনেয়িা, র্পাসােনালটিি ডজির্অডার, মাদকাসক্ত, উদ্বগেে আক্রান্ত ইত্যাদি রোগীদরে মধ্যে আত্মহত্যার অনকে বশে। এই সমস্ত রোগীদরে মধ্যে এক ধরনরে তীব্র আশাহীনতা তরৈি হয়। দুনয়িার সবকছিু তারা নতেবিাচকভাবে দখে।তারা নজিরে সর্ম্পক,ভবষ্যিৎ সর্ম্পকে ও অন্য মানুষ সর্ম্পকে নতেবিাচক চন্তিা পোষণ কর।তারা ভাব,এই পরস্থিতিি দনি দনি আরো খারাপ হবে এবং এটি পরর্বিতনরে জন্য শত চষ্টোয়ও কোনো লাভ হবে না। এর চয়েে মুক্তরি একমাত্র উপায় নজিকেে মরেে ফলো। এই চন্তিায় তাড়তি হয়ে তারা আত্মহত্যা কর।ে অনকেই খামোখাই তীব্র অপরাধবোধে ভোগ।ফলে নজিকেে শাস্তি দতিইে তারা আত্মহত্যা কর
এছাড়াও র্অথনীততিে মন্দা দখো দলিে আত্মহত্যার হার বড়েে যায়। সমাজে যখন বশিৃঙ্খলা তরৈি হয়, যখন মানুষ বচ্ছিন্নিতায় ভোগ, তখন আত্মহত্যার হারও যায় বড়ে। রাজনতৈকি আর্দশরে কারণে আত্মহত্যা করতে দখো যায়। অনকেে বাধ্য হয়ওে আত্মহত্যা কর। সম্মান রক্ষার জন্য কোনো কোনো সমাজে আত্মহত্যার রওেয়াজ প্রচলতি ছলি। দুরারোগ্য ব্যাধতিে আক্রান্ত রোগীরা অনকে সময় আত্মহত্যা কর। অসুখরে তীব্র যন্ত্রণা সইতে না পরেে অনকেে এই পথ বছেে নয়ে। কোনো কোনো পশোর মানুষরে মধ্যে আত্মহত্যার হার বশেি দখো যায়। ডাক্তার, ডন্টেস্টি বা দন্ত বশিষেজ্ঞ, পুলশি বা সশস্ত্র বাহনিীর লোক ইত্যাদ।ি
বাংলাদশেে পরচিালতি এক গবষেণায় পারবিারকি সমস্যা (৪১.২%), পরীক্ষায় অকৃতর্কায হওয়া (১১.৮%), ববৈাহকি সমস্যা (১১.৮%), ভালোবাসায় কষ্ট পাওয়া (১১.৮%), ববিাহবহর্ভিূত র্গভধারণ ও যৌন সর্ম্পক (১১.৮%), স্বামীর নর্যিাতন (৫.৯%) এবং র্অথকষ্ট (৫.৯%) থকেে রহোই পতেে আত্মহত্যার চষ্টো কর।
মনঃসমীক্ষণরে জনক সগিমুন্ড ফ্রয়ডেরে মত, যখন ভালোবাসার মানুষরে প্রতি সৃষ্ট তীব্র রাগ ও আক্রমণাত্মক মনোভাব নজিরে প্রতি ধাবতি হয়, তখন মানুষ আত্মহত্যা কর। আত্মহত্যার চষ্টোকারীদরে মধ্যে তার মৃত্যুর পর কী কী পরস্থিতিি হব, কার কী কী প্রতক্রিয়িা হব, তার মৃত্যুর ফলে কে কে গুরুতর কষ্ট (শাস্ত) পাব, এসব বষিয়ে নানা রকম কল্পনা দখো যায়। অনকেে এর মাধ্যমে নজিকেে শাস্তি দতিে চায়। অনকেে তার ভালোবাসার মানুষটকিে শাস্তি দতিে চাই।
আত্মহত্যার সর্তকসংকতে
যদি আপনার কউে এমন বলা শুরু করে য, আমি মরে যাব, সবার থকেে অনকে দূরে চলে যাব। যদি সবার থকেে ক্ষমা চায়, বদিায় চায়, আত্মহত্যার পরকিল্পনার গল্প বলে বা আত্মহত্যার জন্য প্রয়োজনীয় সামগ্রী জোগাড় করে তবে সটো একধরণরে সংকতে। যদি কারো ঘুম ও খাওয়া-দাওয়া কমে যায় , আচার-আচরণে সাংঘাতকি পরর্বিতন ঘটে তবে তা ঝুঁকি নর্দিশেক হতে পার।এছাড়াও আত্মবশ্বিাস কমে গলে, নজিকেে ঘৃণা করা শুরু করল, নজিকেে অন্যরে ওপর বোঝা মনে করলেও তা ঝুঁকি নর্দিশে কর।
আত্মহত্যার বরিুদ্ধে রক্ষা কবচগুলো কী:
তাহলে র্সবনাশা এই রাস্তা থকেে বাঁচার উপায় কী হব?ে সাধারণত ভালোবাসার্পূণ পারবিারকি সর্ম্পক, জোরদার সামাজকি সর্ম্পক, আত্মনয়িন্ত্রণ, পরবিাররে প্রতি ভালোবাসা ও তাদরে সম্মানহানরি কারণ বা ক্ষতরি কারণ হওয়ার ভয়, র্ধমবশ্বিাস ও র্ধমর্চচা, ইতবিাচক চন্তিা করার প্রবনতা এই তান্ডব থকেে আপনাকে রক্ষা করতে পার।
পরবিাররে সদস্য হসিবেে আপনি কী করবনে:
যদি কউে আত্মহত্যার চষ্টো করে বা আপনি কোন লক্ষণ টরে পান তবে তার সাথে সময় কাটান। তার মধ্যে ইতবিাচক ভাবনা গড়ে তুুলুন। এতে যদি কাজ না হয় তবে তাকে মানসকি রোগরে চকিৎিসকরে কাছে নয়িে যান। ব্যবস্থাপত্র অনুযায়ী ব্যবস্থা ননি। সে যে নয়িমতি ওষুধ খাচ্ছে ও নয়িম মানছ, তা নশ্চিতি করুন। তাকে একা ঘরে ঘুমাতে দবেনে না।
তাঁকে মানসকি সর্মথন দনি। তাঁর সমস্যাগুলো জনেে নয়িে যতটুকু পারা যায়, সমাধান করে দওেয়ার চষ্টো করুন। সমাধানযোগ্য না হলে তাঁকে জানান যে এই বপিদরে দনিে তাঁর সঙ্গে আপনি আছনে। তাঁর সঙ্গে ভালো ব্যবহার করুন। ভুলওে তাকে নয়িে কটাক্ষ করবনে না। উসকানমিূলক কছিু বলবনে না। তার দুঃখরে কথা মনোযোগ দয়িে শুনুন। কোনো উপদশে দবেনে না। শুধু শুনে যান।
প্রয়োজনে তাঁকে সাইকোথরোপি দওেয়ার ব্যবস্থা করুন। সাইকোথরোপি হলো এক ধরণরে কথার চকিৎিসা। যদি তাঁকে আত্মহত্যার ঝুঁকতিে আছে এমন মনে করনে, তবে তাঁকে সাইকোথরোপরি মাধ্যমে চকিৎিসা করান। দ্রুত চিকিৎসার ব্যবস্থা নিন। মনে রাখবনে, জীবন শেষ হয়ে গেলে আর ফেরত আসবে না।
যারা আত্নহননরে চিন্তা করছেন বা করেন এবারের কথাগুলো তাদের জন্য। আপনার কাছে আপনার জীবনরে মূল্য না থাকলেও আপনার পরবিারে তা অনেক বেশি আপনার না থাকা আপনার পরিবারকে ধ্বংস করে দিতে পার। তাই ভালো থাকুন, মনোরোগরে ডাক্তার দেখান, ওষুধ খান। নিয়মিত সাইকোথেরাপি নিন। খুব বেশি মরে যেতে ইচ্ছা হলে পরিবারের সদস্যদের, বন্ধুদের বলুন। তাঁদের সর্মথন নিন। ইতবিাচক চন্তিা করার চষ্টো করুন, বই পড়ুন অথবা বাইরে থকেে ঘুরে আসুন।
আমাদরে মনে রাখা দরকার, এসব দারুন সম্ভাবনাময়ীদরে আত্মহনের পথ বেদনাদায়কতো বটইে তার চয়েে অনকে বশেি আশংকাজনক ও আশু বপিদরে র্পূব সর্তকতা। এই বিপদর্বাতা যত দ্রুত উপলব্ধি করবো ততই আমাদরে জন্য মঙ্গল জনক। সেকল পরবিার এই ঘটনার শকিার হচ্ছনে তাদরে জন্য সমবদেনা। পরবিাররে মানুষরো এই গভীর শোক কাটয়িে উঠার শক্তি র্অজন করুক এই কামনা কর।ি মন খারাপ, আত্মহত্যা এই সময়ে করোনার মতো ছোঁয়াচে না হোক। ভাল থাকা, সুখ, বাঁচার ইচ্ছা ছোঁয়াচে হোক।সবার মধ্যে সুন্দর ও নিরাপদ জীবন নিশ্চিত করার শুভবোধ জগেে উঠুক। পৃথবিী সকলরে সমান বাসযোগ্য হোক।

তুহনি আফসারী
উন্নয়ন র্কমী

শান্তিবার্তা ডট কম/১১ জুলাই ২০২০




করোনাকালীন আত্মহত্যা ও আমাদের মনস্তত্ত্ব- তুহীন আফসারী

শুধু ফুসফুস নয়, করোনাভাইরাস আক্রান্ত করে মস্তিষ্ক ও স্নায়ুতন্ত্রও

হুমায়ূন রশীদ চৌধুরী ছিলেন এক উন্নয়নকামী রাজনীতিবিদ

সুনামগঞ্জে আবারও বিপৎসীমার উপরে সুরমার পানি, বন্যার আশঙ্কা

পরীক্ষিত ও ‍বিশ্বস্ত সহযোদ্ধাকে হারালাম -প্রধানমন্ত্রী

২৪ ঘন্টায় দেশে করোনায় নতুন আক্রান্ত ২ হাজার ৯৪৯ জন, মৃত্যু ৩৭

গ্রামীণ নারীদের কল্যাণে পরিকল্পনামন্ত্রী নিজের পৈতৃক ভিটা দান করলেন

দুর্নীতিবাজ যেই হোক ব্যবস্থা গ্রহণ অব্যাহত থাকবে- প্রধানমন্ত্রী

শাবির ল্যাবে ৩৮ জনের করোনা শনাক্ত, ২০ জনই সিলেটের

সুনামগঞ্জে ৬ দফা দাবিতে মেডিকেল টেকনোলজিস্টদের কর্মবিরতি পালন