শিরোনাম
  অপরিকল্পিত নলজুর নদী খনন কার্যক্রম পরিদর্শনে বেলা       দৈনিক জৈন্তা বার্তা’র ছাতক প্রতিনিধির দায়িত্ব পেলেন মোশাররফ হোসেন       গণগ্রন্থাগারে সরকারি অনুদান বাড়ানোর দাবি       ফারমিছ আক্তারকে ‘নির্ভীক নারী উদ্যোক্তা সম্মাননা’ প্রদান       সাংবাদিকতায় সফল নারী সুবর্ণা হামিদ       আন্তর্জাতিক নারী দিবস আজ       নারী দিবসের সংগ্রামী ইতিহাস- শেখ একেএম জাকারিয়া       ন্যাশনাল সার্ভিস কর্মসূচির আওতায় তাহিরপুরে তিন মাস মেয়াদি প্রশিক্ষণ কোর্সের উদ্বোধন       তাহিরপুর উপজেলা ডিজিটাল সেন্টারে ব্যাংক এশিয়া এজেন্ট ব্যাংকিং শাখার উদ্বোধন       বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ- শেখ একেএম জাকারিয়া    


শান্তিবার্তা ডেস্কঃ

৩১ দিন পর আগামীকাল রবিবার (২৬ এপ্রিল) থেকে ঢাকাসহ দেশের সব বিভাগ এবং জেলা-উপজেলা পর্যায়ে সরকারের ১৮টি মন্ত্রণালয়ের অধীন সংস্থা ও বিভাগগুলো খুলছে। এসব কার্যালয়ে কাজ চলবে সীমিত আকারে। কোভিড-১৯ প্রতিরোধে সরকার ঘোষিত সাধারণ ছুটি আগামী ৫ মে পর্যন্ত চলবে। তবে এর মধ্যেও ১৮টি মন্ত্রণালয়ের অধীন অফিসগুলো সীমিত আকারে খুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।

রবিবার (২৬ এপ্রিল) থেকে যেসব মন্ত্রণালয় খুলছে সেগুলো হচ্ছে−প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, কৃষি মন্ত্রণালয়, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, খাদ্য মন্ত্রণালয়, জনপ্রশাসন মন্ত্রালয়, স্বাস্থ্য সেবা বিভাগ, স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগ, জননিরাপত্তা বিভাগ, সুরক্ষা ও সেবা বিভাগ, তথ্য মন্ত্রণালয়, স্থানীয় সরকার বিভাগ, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগ, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়, নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয়, সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়, মহিলা ও শিশু মন্ত্রণালয় এবং মৎস্য ও পাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়।

আগামী ২৬ এপ্রিল রবিবার থেকে ৫ মে পর্যন্ত (সাপ্তাহিক ছুটি ১ মে শুক্রবার ২ মে শনিবারসহ) সারা দেশে সাধারণ ছুটি ঘোষণা করে বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) এ সংক্রান্ত আদেশ জারি করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। গত ২৫ মার্চ থেকে চলমান সাধারণ ছুটি কয়েক দফায় বাড়ানো হয়েছে।

এদিকে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় আগামী ২৬ এপ্রিল থেকে সরকারি দাফতরিক সময়সূচি অনুযায়ী যথারীতি খোলা থাকবে। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মহাপরিচালক, প্রকল্প পরিচালক, পরিচালক, উপপরিচালক, সহকারী পরিচালক এবং সব উইংয়ের সমপর্যায়ের কর্মকর্তারা নিয়মিত অফিসে উপস্থিত থাকবেন।

তবে মহাপরিচালক এবং উইং প্রধানদের পর্যালোচনা করে নিজ নিজ উইংয়ের সাপোর্ট স্টাফের দৈনিক উপস্থিতি সংখ্যা নির্ধারণ করবেন। উইং বা শাখায় কর্মরত সাপোর্ট স্টাফের ২৫ শতাংশের বেশি না হওয়াই বাঞ্ছনীয় বলেও বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।

শান্তিবার্তা ডট কম/২৫ এপ্রিল২০২০/বাট্রি