শিরোনাম
  ১০ টাকার চালের নতুন তালিকা করার নির্দেশ       বুক ভরে নিও- মাসুদ আহমেদ       করোনা আক্রান্ত ছিলেন অধ্যাপক আনিসুজ্জামান       সুনামগঞ্জে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর শিক্ষার্থীদের মধ্যে শিক্ষা বৃত্তি ও বাইসাইকেল বিতরণ       করোনা ভাইরাস আতঙ্কে মানসিক স্বাস্থ্য সুরক্ষায় করণীয়       সিলেটে আরো ২ জন করোনা পজিটিভ       পদক্ষেপ’র সুরমা ব্রাঞ্চের আওতায় ৯৬ টি পরিবারে নগদ টাকা ও ২০০ টি পরিবারে খাদ্য সামগ্রী বিতরন       দোয়ারাবাজারের খাসিয়ামারা বালুমহাল ইজারা না দেওয়ার দাবি       সিলেটে করোনায় মারা যাওয়া কারাবন্দির লাশ নেয়নি পরিবার       কক্সবাজারে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে প্রথম দু’জন করোনায় আক্রান্ত    


ড. বদিউল আলম মজুমদার

লকডাউন চলছে। বাইরে যাওয়া বন্ধ। বলা যায়, স্বেচ্ছায় শৃঙ্খলিত আছি। তবে ব্যস্ততার মধ্যেই আছি। দিনভর কাজের মধ্যেই আছি। প্রায় একমাস হতে চলল বাসাতেই। দিনের বেশিরভাগ সময় কাটছে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে কাজ করে। দেশজুড়ে ছড়িয়ে থাকা স্বেচ্ছাব্রতীদের পরামর্শ দিয়ে।
সহায়তা করে। মাঠপর্যায়ে কার্যক্রম তদারকি করে। বলছিলেন সুজন সম্পাদক ড. বদিউল আলম মজুমদার।
মার্চের মধ্যভাগ থেকেই মোহাম্মদপুরের বাসায় অবস্থান করছেন তিনি। একসময় যিনি বেশিরভাগ সময় কাটাতেন মাঠে স্বেচ্ছাব্রতীদের সঙ্গে। মুঠোফোনে কথা বললেই জানাতেন, ‘ঢাকার বাইরে আছি। আজ রাতে ফিরে কালই আবার যেতে হবে। তিনদিনপর আবার ঢাকায়। এরপর দেখা হতে পারে।’ সেই ব্যস্ত মানুষ ড. বদিউল আলম মজুমদার এখন কিভাবে কাজ করছেন বাসায় বসে, তাই জানালেন।
বদিউল আলম জানান, দেশের প্রায় দু হাজার গ্রামে হাঙ্গার প্রজেক্টের স্বেচ্ছাব্রতীরা কাজ করছেন করোনামুক্ত গ্রাম ঘোষণায়। সঙ্গে যুক্ত আছে সুজনের সহযাত্রীরাও। এজন্য স্লোগানও বেছে নিয়েছেন তারা। আসুন সবাই মিলে শপথ করি, করোনা ভাইরাসমুক্ত গ্রাম গড়ি। সারাদেশে প্রায় পৌনে তিন লাখ স্বেচ্ছাব্রতী আছে হাঙ্গার প্রজেক্টের। তাদের প্রশিক্ষণ দেয়া হয়েছে। যারা ছুটছেন ইউনিয়নে, প্রত্যন্ত গ্রাম পর্যায়ে। স্বেচ্ছাসেবীরা মূলত তিনটি কাজ করছেন। গ্রাম পর্যায়ে স্বাস্থ্য সচেতনতা তৈরি করা। যারা গ্রামে আক্রান্ত হয়েছেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে, এমনদের চিহ্নিত করে স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা; বিচ্ছিন্ন থাকার জন্য তাদের উদ্বুদ্ধ করা। যারা জীবিকা হারিয়েছেন; সঞ্চয় নেই তাদের খাদ্য নিরাপত্তা দূর করতে সরকারি তালিকায় নামভূক্তি করতে সহায়তা। আর যারা যোগ্য নন তাদের কমিউনিটি ফিল্যানথ্রপির মাধ্যমে সহায়তা করা।
তবে পরিবার নিয়ে বেশ কিছুটা দুঃশ্চিন্তায় আছেন বদিউল আলম মজুমদার। তিনি জানান, স্ত্রী ও দুই কন্যা ঢাকাতেই আছেন। কিন্তু বড় ছেলে বিজ্ঞানী নিউ ইয়র্কে আটকা পড়েছেন। ছোট ছেলে নিউ ইয়র্কের ব্রুকভেইল হসপিটালে জরুরি বিভাগে করোনা রোগিদের চিকিৎসায় যুক্ত আছে। ছেলে, তিন নাতনি ও বউমাকে নিয়ে খুব দুশ্চিন্তা হচ্ছে। এক মেয়ে বর্তমানে অবস্থান করছে ওয়াশিংটনে।
শেষ ভাল যার, সব ভাল তার। এমন একটি সুখবর দিলেন বদিউল আলম মজুমদার। বললেন, এতকিছুর ভিড়ে একটি সুখবরও আছে। অনেক অপেক্ষার পর বড় ছেলের ঘরে সন্তান এসেছে। এটা আমাদের পরিবারের জন্য সুখবর। নবজাতকের জন্য সকলের দোয়া চাইলেন তিনি। মঙ্গল কামনা করলেন দেশবাসীর জন্যও।

শান্তিবার্তা ডট কম/১৪ এপ্রিল২০২০/সুত্র- দৈনিক মাবজজমিন