শিরোনাম


Spread the love

স্টাফ রিপোর্টার::

করোনা ঝুঁকি মোকাবেলায় হাওরাঞ্চলের বোরো ফসল নিয়ে ‘হাওর বাঁচাও আন্দোলন’ ৯দফা প্রস্তাবনা ঘোষণা করেছে। আজ সংস্থাটির সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রস্তাবনাগুলো দেওয়া হয়েছে।

হাওরাঞ্চলে কৃষকদের অধিকার নিয়ে সেচ্ছাসেবি সর্ববৃহৎ সংগঠন ‘হাওর বাঁচাও আন্দোলন’ করোনা ঝুঁকি মোকাবেলা করে হাওরাঞ্চলের বোরো ফসল দ্রুত কাটতে ৯দফা প্রস্তাবনার দিয়েছে-

  • করোনা ঝুঁকি মোকাবেলায় জেলার বাহির থেকে শ্রমিক আনা যাবেনা। জেলা অভ্যন্তরে বেকার হয়ে পড়া বিভিন্ন খাতের হাজার হাজার শ্রমিক কে ধান কাটায় উদ্ভূদ্ধ করতে হবে (আমাদের রিকশা শ্রমিক, টেম্পু শ্রমিক, মোদির দোকানদার, বিভিন্ন দোকানের কর্মচারী, পাথর ও বালুমহালের শ্রমিক তারা কার্যত এখন বেকার। ধান কাটা কোন ট্যাকনিকাল কাজ নয় তাই সুনামগঞ্জবাসি করোনার ঝুকি নিতে চায়না)।
  • শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় ছাত্রদের ধান কাটায় উৎসাহিত করতে হবে।
  • যারা ধান কাটবে তাদেরকে ১০ টাকা কেজি দরে চাল পাওয়ার কার্ড প্রথমেই দিতে হবে তাছাড়া অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ত্রাণ / সরকারী সহযোগিতা দিতে হবে।
  • ধান কাটার শ্রমিকরা মজুরী হিসাবে প্রাপ্ত ধান সবার আগে খাদ্য গুদামে বিক্রি করতে পারবে এই নিশ্চয়তা প্রশাসনকে দিতে হবে।
  • ধান কাটার শ্রমিকদের অন্যের সংস্পর্শে আসা থেকে বিরত রাখতে স্কুল, কলেজ সহ তাবু বা উড়ায় ( সাময়িক ঘর) থাকার ব্যবস্থা করতে হবে।
  • করোনা ঝুঁকি মোকাবেলায় ও শ্রমিকদের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ও উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তাসহ অন্যান্যদের সমন্বয়ে প্রতি উপজেলায় সেল গঠন করতে হবে।
  • শ্রমিকদের নিরাপদ ও ঝুঁকিমুক্ত যাতায়াত নিশ্চিত করতে হবে।
  • কর্মরত অবস্থায় কোন শ্রমিকের করোনা উপসর্গ দেখা দিলে সরকারি ব্যবস্থায় কোয়ারেন্টাইনে নিতে হবে।
  • কোন অবস্থাতেই জেলার বাহির থেকে ধান কাটার শ্রমিক আনা যাবেনা।

এদিকে আজ সুনামগঞ্জ জেলায় প্রথম করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছে এবং জেলা প্রশাসন বিকেলে এক বৈঠক শেষে সুনামগঞ্জ জেলাকে লকডাউনের ঘোষনা করেছেন ।