শিরোনাম


শান্তিবার্তা ডেস্ক::

দুই বছর এক মাস ১৬ দিন পর কারাগার থেকে মুক্তি পেলেন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। আজ (বুধবার) বিকাল ৪টা ১৫ মিনিটে হাসপাতাল থেকে ছাড়া পান তিনি। খালেদা জিয়া বঙ্গবন্ধু মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (হাসপাতাল) প্রিজন সেলে চিকিৎসাধীন ছিলেন। ছোটভাই শামীম ইস্কান্দরের জিম্মায় তাকে হস্তান্তর করা হয়। বাসায় অবস্থান করে চিকিৎসা নেওয়ার শর্তে ছয় মাসের জন্য মুক্তি দেওয়া হলো বিএনপির চেয়ারপারসনকে।

মুক্তি প্রক্রিয়া শেষ করার পর বিকাল সোয়া ৪টার দিকে খালেদা জিয়া লিফটে করে হুইল চেয়ারে নিচে নেমে আসেন। এসময় তার পরিবারের কয়েকজন সদস্য, মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য ও হাসপাতালের নার্স এবং আনসার সদস্যরা ছিলেন। ৪টা ২০ মিনিটে তাকে নিয়ে স্বজনরা হাসপাতাল থেকে রওনা হন। গুলশানে তার বাসভবন ‘ফিরোজা’য়  নিয়ে যাওয়া হচ্ছে তাকে।

২০১৮ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় পাঁচ বছরের সাজা হলে খালেদা জিয়াকে পুরান ঢাকার নাজিম উদ্দিন রোডের কারাগারে নেওয়া হয়। ওই সময় পরিত্যক্ত ওই কারাগারে তিনিই একমাত্র বন্দি হিসেবে ছিলেন। পরে হাইকোর্টে তার সাজা বাড়িয়ে ১০ বছর করা হয়।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বুধবার সাংবাদিকদের বলেছেন, দুটি শর্তে ভাইয়ের জিম্মায় খালেদা জিয়াকে মুক্তি দিচ্ছে সরকার।

হাসপাতাল থেকে বেরোনোর পর বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে হোটেল ইন্টার কন্টিনেন্টালের মোড়ের একটু আগে গাড়ি থামে খালেদা জিয়ার। তখন তার গাড়িবহরে নেতাকর্মীরা বিপুল উচ্ছ্বাসে অংশগ্রহণ করেন। তবে, করোনাভাইরাসের কারণে নেতাকর্মীদের উপস্থিত না হওয়ার নির্দেশনা থাকলেও তা মানেননি নেতাকর্মীরা।

কারামুক্তি পেয়ে গুলশানে বাসার উদ্দেশে রওনা হন খালেদা দিয়া। গোলাপি শাড়িতে মাথামুখ ঢেকে, চোখে কালো চশমা পরে নিজের ভাই শামীম ইস্কান্দরের গাড়িতে করেই বাসার উদ্দেশে রওনা হন তিনি। তার পাশে পরিবারের একজন নারী সদস্য ছিলেন।
বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল জানান, খালেদা জিয়া বাসায় পৌঁছানোর পর তার চিকিৎসকরা তার সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন। তার শরীরের বিষয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

সূত্র: বাংলা ট্রিবিউন