শিরোনাম


শান্তিবার্তা ডেক্স::

কাতারের শিল্পাঞ্চ সানাইয়ার ১৭ মার্চ থেকে পূর্ব-পশ্চিম ও উত্তর-দক্ষিণ প্রান্তজুড়ে প্রতিটি প্রবেশ ও বহির্গমন পথে পুলিশি পাহারা বসানো হয়েছে। দুই সপ্তাহের জন্য এই সতর্কতামূলক ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে বলে সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয় সংবাদমাধ্যমে। ফলে সানাইয়া এখন দেশের অন্যান্য অংশ থেকে এখন এক রকম বিচ্ছিন্ন।
কাতারের এই বিচ্ছিন্ন নগরীতে বাংলাদেশিসহ (১৫০০) বিপুলসংখ্যক শ্রমিক বসবাস করেন। সরকারিভাবে সেখানে চাল, ডাল, তেলসহ প্রয়োজনীয় পণ্য সরবরাহ করা হচ্ছে। যেসব শ্রমিক এ অবস্থায় কাজে যেতে পারছেন না, মাস শেষে তাঁরা সবাই পুরো মাসের বেতন পাবেন বলে আশ্বস্ত করেছেন শ্রম মন্ত্রণালয় ও স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।

করোনাভাইরাসের এই দুঃসময়ে সম্ভাব্য অর্থনৈতিক ক্ষতি বিবেচনায় নিয়ে কাতারে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ব্যবসায়ীদের জন্য নানা সুবিধা ও ছাড়ের ঘোষণা দিয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে তিন থেকে ছয় মাস পর্যন্ত ভাড়া না নেওয়ার ঘোষণা, পানি ও বিদ্যুৎ বিল মওকুফসহ নানা সহায়তামূলক ব্যবস্থা। পাশাপাশি কাতারে আমদানি করা মেডিকেল ও খাদ্যপণ্যে কোনো রকম শুল্ক না নেওয়ার সিদ্ধান্তও নেওয়া হয়।

ইরানের পর করোনাভাইরাসে আক্রান্ত ব্যক্তির সংখ্যায় দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে কাতার। ২০ মার্চ স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এদিন নতুন করে আরও ১০ জন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। এ নিয়ে মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়াল ৪৭০। এ পর্যন্ত কাতারে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার পর সুস্থ হয়েছে ১০ জন। আর নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে ৯ হাজারের বেশি মানুষের।

প্রতিদিন বাড়ছে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত ব্যক্তির সংখ্যা। ফলে করোনাভাইরাসের সম্ভাব্য বিস্তার ও সংক্রমণ ঠেকাতে কাতারজুড়ে প্রতিনিয়ত নানা রকম পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। ১৮ মার্চ থেকে কাতারে কেবল কাতারের নাগরিক ছাড়া সবার প্রবেশ বন্ধ রাখা হয়েছে। তবে পণ্যবাহী ও ট্রানজিটের ফ্লাইট আগমন অব্যাহত রয়েছে।

সৌজন্যে: প্রথম আলো (অনলাইন)